ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিরা অন্ধকার বছরের শেষ করেছে, যুদ্ধের কোনো শেষ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১ জানুয়ারী ২০২৪, ১১:১৫

সংগৃহীত ছবি

বছরের শেষ দিনে রোববারও গাজায় ফিলিস্তিনি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হামলার মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধ শুরু হয়, তা থামানোর কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। উল্টো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন এই যুদ্ধ চলবে ‘বহু মাস ধরে’। খবর এএফপির।

গাজার একটি ভবনে বোমাবর্ষণের পর একজন অধিবাসী বলছিলেন, ‘বিস্ফোরণের পর আমরা হামলার স্থানে এসে আশপাশে শহীদদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। বাচ্চাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারা এখনও নিখোঁজ।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আরেক হামলায় গাজার পশ্চিমে আল আকসা বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ২০ জন লোক মারা গেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থলযুদ্ধসহ আকাশ পথে হামলায় বেশকিছু ‘শত্রু’কে হত্যা করেছে। হামাসের ব্যবহার করা একটি সুড়ঙ্গ চিহ্নিত করার দাবিও জানায় তারা।

ভয়াবহ এই যুদ্ধে গাজার ২৪ লাখ অধিবাসীর ৮৫ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ এই তথ্য জানিয়ে বলেছে, শীতকালের প্রচণ্ড ঠান্ডায় ক্ষুধার্ত অবস্থায় সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাস করছে এসব লোক।

কয়েক যুগ ধরে চলতে থাকা সংঘাত চরম আকার ধারণ করে গত ৭ অক্টোবর। এদিন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে এক হাজার ১৪০ জনকে হত্যা করে, যাদের বেশিরভাগই ছিল সাধারণ জনগণ। এই হামলায় হামাস ইসরায়েল থেকে ২৫০ জনকে অপহরণ করেও নিয়ে যায়। আর এরপর থেকেই গাজার শুরু হয় ইসরায়েলের অবিরাম বোমাবর্ষণ ও হামলা।

হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ২১ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নিরীহ নারী ও শিশু। অন্যদেকে ইসলায়েল জানিয়েছে, গাজার অভ্যন্তরে যুদ্ধে তাদের ১৭২ জন সৈন্য মারা গেছে।

অন্যদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস গাজার অধিবাসীদের ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ প্রদানের বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


  1. ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা : বিজিএমইএ
    ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা : বিজিএমইএ
  1. বাংলাদেশ আজ কোন পথে : মব সন্ত্রাস, অর্থনৈতিক ধস এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের অপরিহার্যতা
    বাংলাদেশ আজ কোন পথে : মব সন্ত্রাস, অর্থনৈতিক ধস এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের অপরিহার্যতা
  1. যুদ্ধের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক
    যুদ্ধের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক
  1. ছয় মাসের মধ্যে তেলের দাম সর্বোচ্চ
    ছয় মাসের মধ্যে তেলের দাম সর্বোচ্চ
  1. ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল : ভোগান্তিতে প্রায় ১৬ হাজার যাত্রী
    ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল : ভোগান্তিতে প্রায় ১৬ হাজার যাত্রী
  1. দেশ ধ্বংসের কারিগর জুলাই আন্দোলন : শিল্পীদের ভূমিকা ও তালিকা
    দেশ ধ্বংসের কারিগর জুলাই আন্দোলন : শিল্পীদের ভূমিকা ও তালিকা
  1. ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থ নেই : গভর্নর
    ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থ নেই : গভর্নর
  1. নেত্রী মুক্তি পাক, সেদিন ফুল নেব
    নেত্রী মুক্তি পাক, সেদিন ফুল নেব
  1. ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে ব্যয়
    ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে ব্যয়
  1. সুনামগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্য পূরণ না হওয়ার শঙ্কা
    সুনামগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্য পূরণ না হওয়ার শঙ্কা