মা-ছেলেকে অপহরণ: জামিন পায়নি সিআইডির তিন সদস্য  

সময় ট্রিবিউন | ২৬ আগস্ট ২০২১ ১৭:৫৬

বৃহস্পতিবার সিআইডির তিন পুলিশ সদস্যের জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক-ছবি সংগৃহীত বৃহস্পতিবার সিআইডির তিন পুলিশ সদস্যের জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক-ছবি সংগৃহীত

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা-ছেলেকে অপহরণের ঘটনায় করা মামলায় রংপুর সিআইডির তিন পুলিশ সদস্যের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (চিরিরবন্দর-৪) আদালতের বিচারক শিশির কুমার বসু জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করতে রাষ্ট্রপক্ষে তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। আদালত সেসব বিবেচনায় নিয়ে জামিন নাকচ করে দেন।

এর আগে সোমবার রাতে চিরিরবন্দর থানায় অপহরণের অভিযোগ করেন ঘটনার শিকার দুজনের একজন জাহাঙ্গীরের চাচা খলিলুর রহমান। পরে থানা-পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অপহরণে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করে। মঙ্গলবার রাতে মামলার বাদী পরিবর্তন করা হয়। অপহরণের শিকার জাহাঙ্গীর আলম নিজেই মামলার বাদী হন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিআইডির তিন সদস্য রংপুর জোনের সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার কবির, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক, গাড়িচালক ফসিহ উল আলম পলাশ ছাড়াও পাঁচজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের মৃত এন্তাজুল হকের ছেলে আরেফিন শাহ (৪০), সদর উপজেলার উপশহর এলাকার খেড়পট্টি গ্রামের মো. সোহেল (৩২), চৌরঙ্গী বাজার সুইহারি এলাকার মো. রিয়াদ (৩৫), ২ নম্বর উপশহর এলাকার মো. সুমন (৪০) এবং একই এলাকার মো. জাহিদ (৩৭)।

আলোচিত এই মামলাটি তদন্ত করছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছি। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করাসহ ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: