সীতাকুণ্ড অগ্নিকান্ডে হতাহতদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতায় ছাত্রলীগের ভূমিকা প্রশংসনীয় : ডা. সামন্ত লাল সেন

ঢাবি প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০২২ ১৮:৪৩

ছবিঃ সংগৃহীত ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ট্র‍্যাজিডিতে আহতদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা, রক্ত সরবরাহ ও ভর্তি সংক্রান্ত ব্যপারে পাশে থাকার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডাঃ সামন্ত লাল সেন।

এসময় তিনি বলেন "ধন্যবাদ তোমাদের বাবা। ন্যাশনাল ক্রাইসিসে তোমরা যেভাবে রেসপন্স করেছ, তা কেউ বলুক আর না বলুক আমি বলব। মিডিয়াকে বলেছি, বলব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও।"

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ অনেক রোগীকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। এমন অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয় সেদিন ভোর থেকেই। এই হেল্পডেস্কে ২৪ ঘন্টা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগের প্রায় ৪৫০ জন রক্তদাতা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে রক্তদানের জন্য এবং প্রায় ৬ শতাধিক নেতাকর্মীর তালিকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে তারাও রক্ত দিতে পারে। রক্ত দিয়েছে এ পর্যন্ত ৯৩ জন।

এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে আগত দগ্ধ রোগীদের ভর্তিতে সহায়তা ও জরুরি ঔষধ সামগ্রী, খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানিসহ অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করছে ছাত্রলীগ। এক্ষেত্রে যথাযথ সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে বার্ন ইউনিটের গেটে স্থাপিত বুথে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে ছাত্রলীগ।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সমাজ সেবা সম্পাদক শেখ স্বাধীন মোহাম্মদ শাহেদ সময় ট্রিবিউনকে বলেন, "বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডে আহতদের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।"

শাহেদ আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গতরাত থেকেই চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ কাজ করছে। রক্ত সংগ্রহ করা, তথ্য সহায়তা থেকে আহতদের যেকোনো প্রয়োজনে তারা পাশে থেকে কাজ করছে। তারা ২৪ ঘণ্টাই সেখানে তাদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে। যেসব রোগীর জরুরি ভিত্তিতে রক্ত প্রয়োজন বা সহযোগিতা প্রয়োজন তাদের পাশে সর্বদা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থাকবে।"

এ ব্যপারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, "দেশের যেকোন প্রকার দুঃসময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঘরে বসে থাকার রেকর্ড নেই। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিস্ফোরণের ঘটনায় শুরু থেকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমাদের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে, রক্তদাতা হিসেবে, ঔষধ সরবরাহকারী হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছে। ঘটনার পরদিন সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রোগীরা আসা শুরু করলে সেখানেও আমাদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সহযোগিতা করে যাচ্ছে।"



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: