বসুন্ধরা চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হুইপ সামশুলের মামলা

সময় ট্রিবিউন | ১৯ আগস্ট ২০২১ ১০:২৩

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ, ছেলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী-ফাইল ছবি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ, ছেলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী-ফাইল ছবি

মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ এই শিল্পগোষ্ঠীর মালিকানাধীন পাঁচটি গণমাধ্যমের (বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, বাংলা নিউজ, নিউজ টুয়েন্টিফোর, ডেইলি সান) সম্পাদক-প্রতিবেদকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন চট্টগ্রামের পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলমকে মামলায় বিবাদী করা হলেও এক নম্বর বিবাদী করা হয়েছে তার ছেলে ও গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহানকে।

বুধবার চট্টগ্রামের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের আদালতে ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন এই সংসদ সদস্য।

বাদীপক্ষের আইনজীবী দীপক কুমার শীল বলেন, এটি একটি দেওয়ানি মামলা। আদালত শুনানি শেষে অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে। সেদিন সমন জারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।

মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম, ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সান’র সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাংবাদিক সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও মো. সেলিম এবং কালের কণ্ঠের সাংবাদিক এস এম রানা।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের (পটিয়া) সংসদ সদস্য সামশুল হকের অভিযোগ, তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের সঙ্গে সায়েম সোবহানের ‘শত্রুতাকে’ পুঁজি করে চট্টগ্রামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যার ঘটনায় শারুনকে জড়িয়ে গত ১৬ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সংবাদ প্রচার করা হয়।

এছাড়াও বাদীকে ও তার সন্তানকে জড়িয়ে আরও বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করার অভিযোগ আনা হয় এই মামলায়।

গত ৭ এপ্রিল পাঁচলাইশ থানার হিলভিউ আবাসিক এলাকার নাহারভিলা থেকে বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা আবুদল মোরশেদ চৌধুরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় মোরশেদের স্ত্রী ইশরাত জাহান জুলি শারুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।

তখন শারুন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনায় তাকে জড়িয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: