চাচাতো ভাইদের ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেল

সময় ট্রিবিউন | ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:০৩

ছবিঃ সংগৃহীত ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে নিজ স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র দিয়ে চাচা ও চাচাতো ভাইদের ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত ০৫ ডিসেম্বর (রবিবার) কামরুল হাসান ফরহাদ (২৪) র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এ অভিযোগ করে যে, চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন পূর্ব সৈয়দপুর দুলাল মেম্বার এর বাড়ীর জনৈক মোঃ আবুল কালাম এর বসত ঘরের পিছনে কাঠের লাকড়ির স্তুপের মধ্যে জনৈক মোঃ আরিফ (২৪) মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ করে রেখেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে সেই দিনই আনুমানিক ০১.৩০ এর সময় র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন পূর্ব সৈয়দপুর অভিযান পরিচালন করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে সংবাদ প্রদানকারী কামরুল হাসান ফরহাদ এবং মোঃ আরাফাতদের দেখানো মতে ঘটনা স্থান হতে ০১ টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র সদৃশ বস্তু, ০১ রাউন্ড গুলি, ০৫ টি রাম দা, ০১টি কুড়াল, ০১টি লোহার লাঠি, ০১টি ROCKET PARACHUTE FLARES এবং ০১টি খেলনা পিস্তল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রদানকারী কামরুল হাসান ফরহাদ এবং মোঃ আরাফাতদের উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রথমে উদ্ধারকৃত আলামত জনৈক মোঃ আরিফ এর বলে জানায়। কামরুল হাসান ফরহাদ এবং মোঃ আরাফাত কর্তৃক প্রদানকৃত সংবাদ সরবরাহ সহ তাদের ঘটনাস্থলে উপস্থিতি এবং আলামত সংরক্ষণের পজিশন সংক্রান্ত ঘটনায় যথেষ্ট সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র

তারদের কথা বার্তায় সন্দেহ হওয়ায় কামরুল হাসান ফরহাদ (২৪), পিতা- জামাল উল্লাহ্ এবং মোঃ আরাফাত (২১), পিতা-আজম খাঁন কে আটক করে র‍্যাব। পরবর্তীতে আসামীদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে মোঃ কামরুল হাসান ফরহাদ জানায় যে, তার প্রতিবেশী জনৈক মোঃ আরিফ (২৪) দের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধের জের ধরে তাদের উভয়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনদের মাধ্যেমে সংঘর্ষটি আপোষ মীমাংসা করলেও উক্ত বিরোধীয় বিষয়ে জনৈক আরিফদের প্রতি আসামী কামরুলের ক্ষোভ রয়ে যায়।

উক্ত ক্ষোভের জের ধরে জনৈক আরিফকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আসামী কামরুল হাসান ফরহাদ জব্দকৃত আলামত সংগ্রহ পূর্বক তার সহযোগী মোঃ আরাফাত এর সহযোগীতায় একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে করে বর্ণিত স্থানে জনৈক আরিফদের বসত ঘরের পিছনে লাকড়ির স্তুপের ভিতরে রাখে। পরবর্তীতে আসামী কামরুল হাসান ও ফরহাদ র‍্যাবকে বিষয়টি জানায়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: