মদনে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি ছাত্রলীগের পদে আসার দৌড়ে এগিয়ে

সময় ট্রিবিউন | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ২২:০৪

টিপু মিয়া ওরফে সোহাগ মিয়া(বামে) এবং আশিকুর রহমান বাঙ্গালি টিপু মিয়া ওরফে সোহাগ মিয়া(বামে) এবং আশিকুর রহমান বাঙ্গালি

নেত্রকোনার মদন উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের আলোচনা উঠার সাথে সাথে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটা সিন্ডিকেট। দিনেদুপুরে হত্যাকান্ডসহ হত্যা মামলার সাক্ষীকে হত্যাচেষ্টার দায়ে অভিযুক্ত কয়েকজনকে মদন উপজেলা ও পৌর কমিটিতে পদায়ণ করার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মদন উপজেলার ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীরা এ ব্যপারে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নমদন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী মো. টিপু মিয়া ওরফে সোহাগ মিয়া ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মাসে একটি হত্যা মামলায় (মামলা নং-১৫) ৪ নং আসামি। একই মামলার ২ নং আসামি তারই পিতা লিটন মিয়া ওরফে লিটন বাঙালি এবং মামলার ১০ নং আসামি আশিক বাঙালি যে টিপু মিয়া ওরফে সোহাগ মিয়ার সৎ ভাই।

মদন পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী আশিকুর রহমান বাঙালি উপরোক্ত মামলার ১০ নাম্বার আসামি। সেই মামলা ছাড়াও ২০২১ সালের ৪ নভেম্বর তারিখে সংগঠিত একটি হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখম মামলার (মামলা নং-৬) ৪ নং আসামি সে। এই মামলায় আবার মো. টিপু মিয়া ওরফে সোহাগ মিয়া ৩ নাম্বার আসামি। তাদের পিতা লিটন মিয়া ওরফে লিটন বাঙ্গালি একই মামলার ১ নং আসামি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি লিটন বাঙালি, মো. টিপু মিয়া ওরফে মো. সোহাগ মিয়া এবং আশিকুর রহমান বাঙালি হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত। তারা এলাকায় দাঙ্গাবাজ, উচ্ছৃংখল ও লাঠিয়াল হিসেবে পরিচিত।

গত বছরের ৪ নভেম্বর আরেকটা হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা যায়, ধারালো রামদা দিয়ে হাবিবুর যিনি পূর্বে উল্লেখিত মো. হেকিম মিয়া হত্যা মামলার সাক্ষী তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায়, ঘাড়ে ও পিঠে উপর্যুপরি কোপায়। এতে হাবিবুরের মাথা, ঘাড়, পিঠ ও বু্কের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মকভাবে জখম হয়। তখন আসামিরা মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে ভেবে পালিয়ে যায়।

এই মামলার ব্যপারে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফেরদৌস আলম মামলার ব্যপারে বলেন, "মামলাটি সিআইডি তে রয়েছে এই মুহুর্তে। আমি কিছু বলতে পারবনা সে বিষয়ে। আপনি সি আই ডি তে যোগাযোগ করলে সঠিক তথ্য পাবেন।"

এ ব্যপারে কথা বলার জন্য নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল আওয়াল শাওন এবং সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহমেদ খানকে ফোন করলে দুইজনের ফোন নাম্বারই বন্ধ পাওয়া যায়।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: